☕সবুজ ও সতেজ মন রাখতে গেলে গ্রীন টি খান।
গ্রীন টি একটি সবুজ পানীয়।
গ্রীন টি বা সবুজ চা মানবদেহের জন্য বিশেষ উপকারী হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে,,,
☕গ্রীন টি খুব ভালো টোনার হিসেবে কাজ করে, যা ত্বকের সতেজতা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে৷
☕নিয়মিত গ্রীন টি পান করলে মুখের দুর্গন্ধ দূর করে। এটি ওরাল ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে কার্যকর।
☕গ্রীন টি নিয়মিত পান করলে দূর হয় ব্রণের সমস্যা।
☕এতে থাকা ভিটামিন সি সর্দিকাশি প্রতিরোধে সাহায্য করে।
☕এটি হার্টের ব্লকেজের ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও কমায়। উচ্চরক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে গ্রীন টি।
☕গ্রীন টি কেনো খাবেন?
☕সবুজ চা পান আমাদের হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। দেহের পানিশূন্যতা রোধ করতেও এ চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
-
সম্পূর্ণ নেচারাল, অথেনটিক এবং প্রাকৃতিক গুণাগুণ সমৃদ্ধ।
-
এটাতে কোন ধরনের ক্যামিক্যাল, অর্টিফিশিয়াল কালার ও আর্টিফিশিয়াল ফ্লেভার যুক্ত করা হয়নি। এটা সম্পূর্ণ নির্ভেজাল এবং অথেনটিক গ্রিন টি। মার্কেট চ্যালেঞ্জ।
-
কম দামে ভেজাল গ্রিন টি না খেয়ে, কোয়ালিটিফুল অথেনটিক এবং স্ব্যাস্থকর গ্রিন টি খাওয়ার অনুরোধ রইল।
কেন আমাদের কাছ থেকেই গ্রীণ টি নিবেন ?
-
দুটি পাতা একটি কুড়ির অর্গানিক গ্রিন টি।
-
সম্পূর্ণ ন্যাচারাল এবং অথেনটিক গ্রীণ টি। যা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।
-
সর্বোচ্চ কোয়ালিটি সম্পন্ন হেন্ডমেড আস্ত পাতা গ্রীণ টি। এই গ্রীণ টি প্রাকৃতিক গুনাগুন সম্পূর্ণরূপে বজায় রেখে প্রস্তুত করা হয়।
-
বাংলাদেশে খুব কম সংখ্যক বাগানে রাসায়নিক সার এবং কীটনাশক মুক্ত অর্গানিকভাবে গ্রিন টি উৎপাদন করা হয়, আমরা সেখান থেকে কালেক্ট করে থাকি।
-
ভেজাল প্রমাণে ১০০% মানিব্যাক গ্যারান্টি।
প্রীণ টি এর উপকারিতা।
* গ্রীণ টি এর সবথেকে বড় গুণ হলো এটি যেকোন ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। যেমন: স্ক্রিন ক্যান্সার, ব্রেস্ট ক্যান্সার, নিভার ক্যান্সার, গন ব্লাডার ক্যান্সার, প্রস্টেট করআর ইত্যাদি।
* যদি গ্রীণ টি রোজ পান করা যায় তাহলে ডায়াবেটিসের মতো রোগকে নিয়ন্ত্রনে রাখা যায়।
* গ্রীণ টি ত্বক ও চুল কে সুন্দর রাখতেও ভীষণ ভাবে উপকারী।
* শরীরের বিভিন্ন অংশের অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রিন টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। • গ্রীণ টির আরেকটি অসাধারণ গুণ হলো এটি আমাদের ব্রেন কে সঠিক ভাবে পারিচানিত করত সাহায্যা করে।
এটি ব্রেনে রক্ত সঞ্চালনকে ঠিক রাখে। তারফলে ব্রেন দ্রুত কাজ করে।
গ্রীণ টি যেভাবে বা যখন খাবেন না:
* খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্রীণ টি খাবেন না। এত হজমের সমস্যা হতে পারে। তাই খারবার খাওয়ার ৩০ মিনিট
থেকে ৪৫ মিনিট পর গ্রীণ টি খাবেন।
* খুব গরম অবস্থায় গ্রীণ টি খাবেন না। তাতে আপনার ঠোঁট, জিহবা বা পাকস্থলীর ক্ষতি হতে পারে। সেরা ফল
পেতে ৮-১০ মিনিট অপেক্ষা করে গ্রীণ টি খান।
* গ্রীণ টি এর সঙ্গে গুঁড়া দুধ, চিনি বা অন্য কোন মসলা, লেবু কিছুই যেখাবেন না।
* বাজারে এখন নানা ফ্লেভারের গ্রীণ টি পাওয়া যায়। তবে অর্প্যানিক বা ন্যাচারাল ফ্রেন্ডার গ্রীণ টি খাওয়াই ভালো।
গ্রীণ টি তৈরির নিয়মঃ
* প্রথমে একটি পরিষ্কার সম-প্যান বা কেটলিতে পানি নিয় ভালো করে ফুটিয়ে নিতে হবে।
* ফুটানো পানি একটি পরিষ্কার ফাপে নিয়ে তাতে পরিমাণ মতো গ্রীণ টি পাতা যোগ করে ৫-১০ মিনিট চাপা দিয়ে
রেখে দিতে হবে।
* এর পর তা ছাঁকনি দিয়ে ছেকে নিয়ে পান করুন।







Reviews
There are no reviews yet.