কফি বীজ নামে পরিচিত এক প্রকার বীজ গুঁড়া পানির সাথে গরম করে বা ফুটিয়ে কফি তৈরি করা হয়। কফি বীজ কফি চেরি নামক এক ধরনের ফলের বীজ। প্রায় ৭০টি দেশে এই ফলের গাছ জন্মে। সবুজ কফি বিশ্বের সব থেকে বেশি বিক্রীত কৃষিপণ্যের মধ্যে একটি।
কফির পুষ্টিগুণ
কফির মূল উপাদান হল ক্যাফেইন। ৮ আউন্স কফিতে প্রায় ১৩৫ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন থাকে। এ ছাড়াও কফি থেকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং সামান্য পরিমাণে ভিটামিন বি২ (রিবোফ্লাভিন) ও ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম পাওয়া যায়।
রোজ কফি পানে উপকারিতা
নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণে কফি পানের বেশ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। সেগুলো হল,
১. ওজন কমায়
নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণে কফি খাওয়া শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করে। বিশেষ করে পুরুষদের নিয়মিত কফি পান শরীরের চর্বি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রতিদিন এক থেকে দুই কাপ কফি শরীরকে চাঙ্গা রাখতে সাহায্য করে যা ওজন কমানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
২. ক্লান্তি কমায়
কফিতে থাকা ক্যাফেইন একটি কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের উদ্দীপক, যা ক্লান্তি কমিয়ে শরীরে শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। কারণ ক্যাফেইন অ্যাডেনোসিন নামক নিউরোট্রান্সমিটারের রিসেপ্টর ব্লক করে এবং মস্তিষ্কে অন্যান্য নিউরোট্রান্সমিটারের মাত্রা বাড়ায় যা শক্তির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
৩. টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়
নিয়মিত কফি খাওয়া দীর্ঘমেয়াদে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাস করে। এটি অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষগুলির কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে ইনসুলিন তৈরি করে থাকে। এ ছাড়া এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এবং ইনসুলিন সংবেদনশীলতা, প্রদাহ এবং বিপাককে প্রভাবিত করতে পারে যার সবই টাইপ ২ ডায়াবেটিসের বিকাশের সাথে জড়িত
৪. মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে
কিছু গবেষণা থেকে দেখা যায় যে কফি আলঝাইমার রোগ এবং পারকিনসন রোগসহ নির্দিষ্ট কিছু নিউরোডিজেনারেটিভ ডিসঅর্ডার থেকে রক্ষা করতে পারে। যারা নিয়মিত ক্যাফেইন গ্রহণ করেন তাদের পার্কিনসন রোগ হওয়ার ঝুঁকি অনেক কম।
৫. বিষণ্ণতা কমায়
কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে রোজ পর্যাপ্ত কফি পান হতাশার ঝুঁকি কমায় এমনকি আত্মহত্যার প্রবণতাও কমিয়ে আনতে পারে। সাতটি সমীক্ষার পর্যালোচনা অনুসারে, প্রতিদিন এক কাপ কফি পান বিষণ্ণতার ঝুঁকি 8% কমায়।
৬. হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে
রোজ পর্যাপ্ত কফি পান হার্টের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। একটি পর্যালোচনায় দেখা গেছে যে, প্রতিদিন তিন থেকে পাঁচ কাপ কফি পান হৃদরোগের ঝুঁকি ১৫ শতাংশ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি ২১ শতাংশ কমায়।তবে উচ্চ মাত্রার ক্যাফেইন রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণ করে। তাই যাদের অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ আছে তাদের কফি পরিমীত পরিমাণে পান করা উচিত।
শহুরে জীবনে পানীয় হিসেবে কফি বেশ জনপ্রিয়। কফি যেমন শরীর চাঙা করে তোলে। এটির স্বাদ, গন্ধ এবং উপকারিতার কারণে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়। কফি খেলে শরীরে শক্তি মেলে, এটি কাজের স্পৃহা বাড়িয়ে দেয়। তাই কাজে বসে ঘুম পেলে অনেকেই কফি খেয়ে নেন।
কফি কি
কফি বীজ নামে পরিচিত এক প্রকার বীজ গুঁড়া পানির সাথে গরম করে বা ফুটিয়ে কফি তৈরি করা হয়। কফি বীজ কফি চেরি নামক এক ধরনের ফলের বীজ। প্রায় ৭০টি দেশে এই ফলের গাছ জন্মে। সবুজ কফি বিশ্বের সব থেকে বেশি বিক্রীত কৃষিপণ্যের মধ্যে একটি।
কফির পুষ্টিগুণ
কফির মূল উপাদান হল ক্যাফেইন। ৮ আউন্স কফিতে প্রায় ১৩৫ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন থাকে। এ ছাড়াও কফি থেকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং সামান্য পরিমাণে ভিটামিন বি২ (রিবোফ্লাভিন) ও ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম পাওয়া যায়।
রোজ কফি পানে উপকারিতা
নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণে কফি পানের বেশ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। সেগুলো হল,
১. ওজন কমায়
নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণে কফি খাওয়া শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করে। বিশেষ করে পুরুষদের নিয়মিত কফি পান শরীরের চর্বি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রতিদিন এক থেকে দুই কাপ কফি শরীরকে চাঙ্গা রাখতে সাহায্য করে যা ওজন কমানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
২. ক্লান্তি কমায়
কফিতে থাকা ক্যাফেইন একটি কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের উদ্দীপক, যা ক্লান্তি কমিয়ে শরীরে শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। কারণ ক্যাফেইন অ্যাডেনোসিন নামক নিউরোট্রান্সমিটারের রিসেপ্টর ব্লক করে এবং মস্তিষ্কে অন্যান্য নিউরোট্রান্সমিটারের মাত্রা বাড়ায় যা শক্তির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
৩. টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়
নিয়মিত কফি খাওয়া দীর্ঘমেয়াদে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাস করে। এটি অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষগুলির কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে ইনসুলিন তৈরি করে থাকে। এ ছাড়া এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এবং ইনসুলিন সংবেদনশীলতা, প্রদাহ এবং বিপাককে প্রভাবিত করতে পারে যার সবই টাইপ ২ ডায়াবেটিসের বিকাশের সাথে জড়িত
৪. মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে
কিছু গবেষণা থেকে দেখা যায় যে কফি আলঝাইমার রোগ এবং পারকিনসন রোগসহ নির্দিষ্ট কিছু নিউরোডিজেনারেটিভ ডিসঅর্ডার থেকে রক্ষা করতে পারে। যারা নিয়মিত ক্যাফেইন গ্রহণ করেন তাদের পার্কিনসন রোগ হওয়ার ঝুঁকি অনেক কম।
৫. বিষণ্ণতা কমায়
কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে রোজ পর্যাপ্ত কফি পান হতাশার ঝুঁকি কমায় এমনকি আত্মহত্যার প্রবণতাও কমিয়ে আনতে পারে। সাতটি সমীক্ষার পর্যালোচনা অনুসারে, প্রতিদিন এক কাপ কফি পান বিষণ্ণতার ঝুঁকি 8% কমায়।
৬. হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে
রোজ পর্যাপ্ত কফি পান হার্টের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। একটি পর্যালোচনায় দেখা গেছে যে, প্রতিদিন তিন থেকে পাঁচ কাপ কফি পান হৃদরোগের ঝুঁকি ১৫ শতাংশ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি ২১ শতাংশ কমায়।তবে উচ্চ মাত্রার ক্যাফেইন রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণ করে। তাই যাদের অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ আছে তাদের কফি পরিমীত পরিমাণে পান করা উচিত।






Reviews
There are no reviews yet.